৬জি নেটওয়ার্ক টেস্ট করতে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে চীন || TIPSGURUBD.COM

0

 

২০১৯ সালের শেষদিকে ফাইভজি প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হয় বিশ্ব। ২০২০ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে ৫জি নেটওয়ার্ক মেইনস্ট্রিমে চলে আসে। প্রায় সকল ফ্ল্যাগশিপ এবং মিডরেঞ্জার ডিভাইসই এখন ৫জি সমর্থন দেখা যায়। বিশ্বজুড়ে এখনো ৫জি ছড়িয়ে না পরলেও ইতিমধ্যে প্রযুক্তি জগতের পরাশক্তিরা ইতোমধ্যে ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে দিয়েছে। তবে এদের মধ্যে বরাবরের মতোই সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চীন।

এখন থেকেই নিজস্ব ৬জি নেটওয়ার্ক তৈরিতে মনোযোগ দিচ্ছে চীন। ইতিমধ্যে চীনে ৭,১৮,০০০ টি ৫জি বেস স্টেশন তৈরি হয়েছে যা একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ। চীনা তথ্য প্রযুক্তি একাডেমির উপদেষ্টা ইয়ু শাওহুই বলেছেন, চীন ২০২৫ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে ৫জি এর অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করবে। এবং এর পরই পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কাজ করবে চীন। তবে এর জন্য অন্তত ২০২৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

এছাড়া একটি চাইনিজ সংস্থা এরই মধ্যে ৬জি নেটওয়ার্ক টেস্ট করতে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, ৫জি নেটওয়ার্ক এর তুলনায় নেক্সট জেনারেশনের ৬জি নেটওয়ার্ক প্রায় ১০-১০০ গুণ শক্তিশালী হবে। তবে একে পেতে হলে আমাদের আরও এক দশক অপেক্ষা করতে হবে। এদিকে গত নভেম্বরে আমেরিকান ও ইউরোপীয় টেক জায়ান্টরা এক হয়ে ‘Next G Alliance’ গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের লক্ষ্য, বাজারে ৬জি নেটওয়ার্ক তৈরিতে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

এছাড়া ৬জি নেটওয়ার্ক ডেভেলোপ করতে ‘Next G Alliance’ নামের এই জোটে যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দুই মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল এবং গুগল। নেক্সট জি অ্যালায়েন্স অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানিয়েছে, “বর্তমান বিশ্বে ৬জি নেটওয়ার্ক এর পথ সুগম করতে যুক্তরাষ্ট্রকে খুব দ্রুত সময়োপযোগী এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।” অ্যাপল ও গুগল ছাড়াও ইতিমধ্যে চার্টার কমিউনিকেশন, সিসকো, হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ, ইন্টেল, এলজি এর মতো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানও এই ‘Next G Alliance’ জোটে যোগ দিয়েছে।

বন্ধুদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂

Leave A Reply

Your email address will not be published.