রেড প্রোডাক্টের সকল অর্থ করোনা মোকাবেলায় দান করবে অ্যাপল || TIPSGURUBD.COM

0

 

সবসময়ই আমরা দেখি বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ধরনের দাতব্য কাজে সবার আগে এগিয়ে আসে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী কোম্পানি অ্যাপল। এরই ধারাবাহিকতায় চলমান কভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করছে অ্যাপল। করোনাকালে সুবিধা বঞ্চিতদের সহায়তা করতে এবার নিজেদের রেড প্রোডাক্টগুলো (লাল রঙের ডিভাইজ) থেকে প্রাপ্ত অর্থ কভিড-১৯ ফান্ডে দান করার ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। এতদিন মূলত রেড প্রোডাক্টগুলো থেকে প্রাপ্ত অর্থ রেড ফাউন্ডেশনের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এইচআইভি এইডসের দাতব্য কাজে ব্যয় করতো অ্যাপল।

অ্যাপল

ঘোষণ অনুযায়ী চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত রেড প্রোডাক্টগুলো (লাল রঙের ডিভাইজ) থেকে প্রাপ্ত অর্থের পুরোটাই করোনা মহামারী মোকাবেলায় ব্যয় করবে অ্যাপল। কভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত সাময়িকভাবে এই দাতব্য কাজটি এইচআইভি প্রোজেক্ট থেকে সরিয়ে আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কোম্পানি। সর্বপ্রথম অ্যাপলের জাপানি ওয়েবসাইটে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কোম্পানি।

 

এছাড়া সম্প্রতি অফিসিয়াল এক ব্লগ পোস্টে অ্যাপল জানিয়েছে, গত ১৪ বছর ধরে আমরা রেড এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ এইচআইভি এইডসের চিকিৎসা সেবায় ব্যয় করেছি। কিন্তু বর্তমানে কভিড পরিস্থিতি চরমে পৌঁছে যাওয়ায় অ্যাপল রেড ফাউন্ডেশনের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে রেড প্রোডাক্ট থেকে অর্জিত অর্থের পুরোটাই কভিড-১৯ মোকাবেলার জন্য দাতব্য কাজে ব্যয় করবে যা ২০২১ সালের ৩০’শে জুন পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে।

মূলত চলমান মহামারীর ফলে নাজেহাল হয়ে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঝুঁকি মোকাবেলায় রেড প্রোডাক্টের এই অর্থ দান করবে অ্যাপল। তাছাড়া করোনার পাশাপাশি রেড প্রোডাক্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থের কিছু অংশ সংরক্ষিত থাকবে সাব সাহারান অঞ্চলের এইচআইভি এইডসের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায়। মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপলের রেড লাইনআপের বিভিন্ন প্রোডাক্ট রয়েছে। যার মধ্যে সম্প্রতি iPhone 12 রেড সিরিজ অবমুক্ত করা হয়েছে‌। এছাড়াও অ্যাপল ওয়াচ, ব্যান্ড, আইপ্যাড কেস এবং বিট্স ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য কোম্পানির রেড প্রোডাক্টের অন্তর্ভুক্ত।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂

Leave A Reply

Your email address will not be published.