গীকবেঞ্চে স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮’কে হারিয়েছে এক্সিনোস ২১০০ || TIPSGURUBD.COM

0

 

কিছুদিন আগে পাওয়ারফুল মিডরেঞ্জ চিপসেট ‘এক্সিনোস ১০৮০’ এনে সবাইকে চমকে দিয়েছিলো কোরীয় টেক জায়ান্ট স্যামসাং। মিডিয়াটেক এবং কোয়ালমকমের লেটেস্ট মিডরেঞ্জ চিপসেটের তুলনায় কাগজে-কলমে অনেকটাই এগিয়ে আছে স্যামসাংয়ের এক্সিনোস ১০৮০ চিপসেটটি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার নিজেদের পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ চিপসেট ‘এক্সিনোস ২১০০’ দিয়ে কোয়ালকমের লেটেস্ট পাওয়ার-হাউজ স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮’কে টক্কর দিতে যাচ্ছে স্যামসাং।

এক্সিনোস ২১০০

সম্প্রতি অনলাইনে লিক হয়েছে এক্সিনোস ২১০০ এর গিকবেঞ্চে স্কোর, যেখানে স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮’কে হারাতে সক্ষম স্যামসাংয়ের আপকামিং এই চিপসেটটি। গীকবেঞ্চে সিনথেটিক টেস্টে সিঙ্গেল কোরে ১,০৮৯ এবং মাল্টি কোরে ৩,৯৬৩ পয়েন্ট করেছে এক্সিনোস ২১০০। অন্যদিকে সিনথেটিক টেস্টে স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ এর স্কোর ছিল সিঙ্গেল কোর ও মাল্টি কোরে যথাক্রমে ১,১৩৫ ও ৩,৭৯৪। অর্থাৎ গীকবেঞ্চে বেঞ্চমার্ক কম্পেরিজনে সিঙ্গেল কোরে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও মাল্টি কোরে অনেকটাই এগিয়ে আছে এক্সিনোস ২১০০ চিপসেটটি।

 

তবে এটা মনে রাখা উচিত একটা চিপসেটের বেঞ্চমার্ক স্কোর দিয়েই সেটা ভালো না খারাপ তা নির্ণয় করা যায় না। অপটিমাইজেশন অনেকটাই মুখ্য ভূমিকা পালন করে এখানে। এক্ষেত্রে আমাদের সকলেরই জানা যে অবশ্য কোয়ালকম একধাপ এগিয়ে আছে স্যামসাংয়ে থেকে। সুতরাং কেবলমাত্র রিয়েল লাইফ টেস্টেই বলা যাবে যে, স্যামসাংয়ের আপকামিং এই চিপসেটটি আসলেই স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ এর থেকে কতটা শক্তিশালী হবে। স্যামসাং জানিয়েছে, আগামী ২১ জানুয়ারি উন্মোচন করা হবে এক্সিনোস ২১০০।

এদিকে অনলাইনে লিক হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘এক্সিনোজ ২১০০’ হবে একটি ৫ ন্যানোমিটার ফ্যাব্রিকেশন চিপসেট। এতে সিপিইউ হিসেবে থাকছে ২.৯ গিগাহার্জের একটি ARM Cortex X1 কোর, ২.৮ গিগাহার্জের তিনটি ARM Cortex A78 কোর এবং ২.৮ গিগাহার্জের চারটি ARM Cortex A55 কোর। এছাড়া ‘এক্সিনোজ ২১০০’-এ জিপিইউ হিসেবে থাকতে পারে ARM Mali-G78 প্রসেস। তাছাড়া চিপসেটটিতে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি শক্তিশালী নতুন আইএসপি ও এআই ইঞ্জিন, এবং ইন-বিল্ট ৫জি মডেম ব্যবহার করবে স্যামসাং।

বন্ধুদের সাথে নিউজটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমরা অনুপ্রাণিত হব 🙂

Leave A Reply

Your email address will not be published.